রবিবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং। ৭ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। ভোর ৫:১২








প্রচ্ছদ » এটা কোন ক্যাটাগরি না (Super 6)

রাখাইনে গিয়ে কী দেখলেন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত?

মঙ্গলবার মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিবেশী পাঁচটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের রাখাইন প্রদেশের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমানও।সেই সফর সেরে ফেরার পর বিবিসি বাংলাকে এদিন দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত মি রহমান জানান, রাখাইনে গিয়ে তিনি বাস্তুচ্যুত বহু রোহিঙ্গার মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা দেখেছেন এবং তারা নিজেদের গ্রামে আর ফিরে যেতে চায় না বলেও তাদের জানিয়েছেন।

 

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

তিনি আরও বলেছেন সেখানে যেভাবে ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে তা ‘হঠাৎ করে ঘটেনি’ বলেই তার মনে হয়েছে।বাংলাদেশ ছাড়াও প্রতিবেশী আরও চারটি দেশ, অর্থাৎ চীন, ভারত, থাইল্যান্ড এবং লাওসের রাষ্ট্রদূতদের রাখাইনের পরিস্থিতি দেখাতে গতকাল সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন মিয়ানমারের শীর্ষ মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা।

সরকারি সহযোগিতায় সম্পাদিত সেই সফর সেরে ফেরার পর সুফিউর রহমান বলছিলেন, “গোটা অঞ্চল জুড়ে আমি মাইলের পর মাইল ধরে যে পোড়া বাড়িঘর দেখেছি, তা চোখে না-দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এ জিনিস হঠাৎ করে হয়নি বলেই আমার মনে হয়েছে। “সফরে তার সঙ্গী অন্য রাষ্ট্রদূতরাও একই রকম ‘কাছাকাছি ভাবনা’র শরিক বলেও তিনি জানান।পাঁচ বিদেশি রাষ্ট্রদূতকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বৌদ্ধপ্রধান রাথিডং এলাকার একটি গ্রামে, যেখানে একটি বিচ্ছিন্ন গ্রামে কিছু মুসলিম রোহিঙ্গা বসবাস করছেন।তারপর রাখাইনের সাগরপাড়ে বেশ কয়েকটি গ্রামও তারা আকাশপথে হেলিকপ্টারে চেপে ঘুরে দেখেন। পরে তিন-চারটি জায়গায় তাদের গাড়িতে চাপিয়েও নিয়ে যাওয়া হয়।

সব জায়গাতেই স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে তাদের কথাবার্তা হয়েছে সরকারি দোভাষীদের মাধ্যমেই। কথোপকথনের সময় সরকারি কর্মকর্তারাও সেখানে হাজির ছিলেন।সুফিউর রহমান বলছিলেন, “এই মানুষগুলোর চোখেমুখে ছিল চরম নিরাপত্তাহীনতার ছাপ। তারা বলছিলেন তাদের অবর্ণনীয় কষ্টের কথা। নিজের গ্রাম থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এই মানুষেরা, তবে তার পরেও তারা যে সেখানে আর ফিরতে চান না সে কথা আমাদের খোলাখুলিই বললেন। ”

“তবে সরকারি কর্মকর্তারা একটু আড়াল হতেই তাদের কথাবার্তা থেকে একটু অন্যরকম আভাসও পাওয়া যায়, বোঝা যায় সে কথাগুলো তারা সরকারের প্রতিনিধিদের সামনে বলতে সাহস পান না। “সেই আভাসটা কী ধরনের, এই প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত মি রহমান জবাব দেন, “তারা যে কথাটা মুখ ফুটে বলতে পারেন না বলে মনে হয় সেটা হল তাদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে তা শুধু একটা প্রতিবেশী ধর্মীয় গোষ্ঠীর কাজ হতে পারে না। ”

“এর পেছনে প্রাতিষ্ঠানিক হাত রয়েছে বলেও তাদের কথা থেকে ইঙ্গিত মেলে, কিন্তু সাহসে ভর করে তারা কারও নাম উচ্চারণ করতে পারেন না। ”
তার সফরসঙ্গী অন্য রাষ্ট্রদূতরাও এই বিশাল মানবিক সঙ্কটের ব্যাপকতা দেখে বিচলিত বলে সুফিউর রহমানের মনে হয়েছে। তারা সবাই এ ব্যাপারেও একমত হয়েছেন যে যত দ্রুত সম্ভব এই সঙ্কট মোকাবিলা করা দরকার।তবে তারা এটাও বিশ্বাস করেন, এ কাজ একা মিয়ানমারের পক্ষে সম্ভব নয় – এ জন্য তাদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক সহায়তা লাগবে।

– বিবিসি বাংলা

এটা মিয়ানমার সরকারের ভাওতাবাজি : এরশাদ
জট খুলেছে সহসম্পাদক পদে, নাম চেয়েছেন ওয়াবদুল কাদের
যে কোনও মুহূর্তেই বাধতে পারে পরমাণু যুদ্ধ!


সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী শাকিলা জাফর এখন কোথায় আছেন, কেমন আছেন?

শিশু চুরি করে এনে ‘বলি’ দেওয়া হচ্ছিল এক পুজোয়

লালমনিরহাটে বিয়ের মাত্র ৩ দিনের মাথায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী! অদ্ভুত এক কারনে

জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করতে হয় কেন, না করলে সমস্যা কী?

মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর হামলায় বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেপ্তার

পৃথিবীতে সবচেয়ে রহস্য ঘেরা পাঁচটি স্থান যেখানে সাধারন মানুষের সম্পূর্ণ প্রবেশ নিষিদ্ধ

ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাট, জনজীবন বিচ্ছিন্ন

প্রবাসের মর্গে পড়ে থাকা বাংলাদেশি নারীর পরিচয় মিলেছে

আগামীকাল ৩ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইকে হত্যা করল আপন ভাই!

পানির নিচে ৩০ ঘণ্টার পরেও জীবিত সোহাগ!

পরীক্ষা হবে শুধু সৌন্দর্যের উপর! পাশ করলেই চাকরি

রোহিঙ্গা সঙ্কট ; মিয়ানমারকে পূর্ণ সমর্থন করল চীন

হায় অর্থকষ্ট: স্ত্রীর মৃত্যুর প্রহর গুণছেন অসহায় স্বামী

বাংলাদেশকে উন্নতির রাস্তা বলে দিলেন দ. আফ্রিকার ব্যাটিং কোচ

ভালোবেসে বিয়ে করা বড় ভুল হয়ে গেছে’ কেন এই কথা বলছে লালমনিরহাটের মেঘনা

সবাই এই বৃদ্ধাকে ভেবেছিল মানসিক ভারসাম্যহীন, কিন্তু পরিচয় জানার পর সবাই অবাক

যৌন চাহিদা মেটাতে নতুন যৌন পল্লী

যুক্তরাষ্ট্র কোনো সভ্য রাষ্ট্র নয়: এরদোগান

আর একদিন পর বাজারে আসছে ইলিশ




error: Content is protected !!
Copy to clipboard
[X]