রবিবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং। ৭ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। ভোর ৫:১৩








প্রচ্ছদ » প্রধান সংবাদ

নথিপত্রই প্রমাণ করে রোহিঙ্গারা ঐতিহাসিকভাবে বাঙালি’

রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী নয় বলে মন্তব্য করেছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং। তিনি আরো বলেন, যারা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে তারা ঐতিহাসিকভাবেই ‘বাঙালি’।বৃহস্পতিবার মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত স্কট মার্সিয়েলের সঙ্গে এক  বৈঠকে শেষে দেশটির সেনাপ্রধান তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ পোস্ট দেন।

 

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

পোষ্টে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা গণমাধ্যম অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক মিয়ানমারের সেনাপ্রধান বলেন,রোহিঙ্গারা কোনো ভাবেই মিয়ানমারের নাগরিক নয়। নথিপত্র প্রমাণ করে, তারা কখনো রোহিঙ্গা নামেও পরিচিত ছিল না। ঔপনিবেশিক আমল থেকেই তারা বাঙালি ছিল। মিয়ানমার তাদের এ দেশে নিয়ে আসেনি। ঔপনিবেশিক তারা নিজেরাই আসেছিল।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর মিন অং হ্লাইয়াং বলেছিলেন, রোহিঙ্গারা স্বীকৃতি দাবি করছে কিন্তু তারা তারা কখনো মিয়ানমারের নাগ্রিক ছিল না। এটি ‘বাঙালি’ ইস্যু। আর এই সত্য প্রতিষ্ঠায় একতাবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বুধবার বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উৎখাতে ঘরবাড়ি, শস্য ও গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জ্যোতি সাংঘেরা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন মিয়ানমারে ফিরলে রোহিঙ্গারা বন্দিদশায় পড়তে পারেন।

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গ্রামগুলো যদি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয় এবং তাদের জীবিকার সম্ভাবনা নষ্ট করা হয়, তা হলে আমাদের ভয় হয় যে, তাদের বন্দি করা বা ক্যাম্পে আটকানো হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২৫ আগস্টের পর নতুন করে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ৬৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর বলেছে, গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের পুলিশ ফাঁড়িতে বিদ্রোহীদের হামলার আগে থেকেই সেখানে রোহিঙ্গাদের হত্যা, নির্যাতন ও শিশুদের ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটানো হয়।

রোহিঙ্গা ইস্যু মিয়ানমারের বহু দিনের অন্যতম আলোচিত বিষয়। গত ২৫ আগস্টের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলা এই সংকটকে নতুন করে উসকে দেয়। এর জেরে সেখানে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়, চলে দমন-পীড়ন। মিয়ানমারের নিরাপত্তা  বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ আসছে।

মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে দেশটির সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চিন্তা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

ফের পরমাণু বিস্ফোরণ? উত্তর কোরিয়ায় প্রচণ্ড ভূকম্পন
শ্রীলঙ্কায় রোহিঙ্গাদের ওপর বৌদ্ধ ভিক্ষুদের হামলা
'মিয়ানমার চেয়েছিল রোহিঙ্গারা আর কখনও না ফিরুক'


সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী শাকিলা জাফর এখন কোথায় আছেন, কেমন আছেন?

শিশু চুরি করে এনে ‘বলি’ দেওয়া হচ্ছিল এক পুজোয়

লালমনিরহাটে বিয়ের মাত্র ৩ দিনের মাথায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী! অদ্ভুত এক কারনে

জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করতে হয় কেন, না করলে সমস্যা কী?

মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর হামলায় বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেপ্তার

পৃথিবীতে সবচেয়ে রহস্য ঘেরা পাঁচটি স্থান যেখানে সাধারন মানুষের সম্পূর্ণ প্রবেশ নিষিদ্ধ

ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাট, জনজীবন বিচ্ছিন্ন

প্রবাসের মর্গে পড়ে থাকা বাংলাদেশি নারীর পরিচয় মিলেছে

আগামীকাল ৩ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইকে হত্যা করল আপন ভাই!

পানির নিচে ৩০ ঘণ্টার পরেও জীবিত সোহাগ!

পরীক্ষা হবে শুধু সৌন্দর্যের উপর! পাশ করলেই চাকরি

রোহিঙ্গা সঙ্কট ; মিয়ানমারকে পূর্ণ সমর্থন করল চীন

হায় অর্থকষ্ট: স্ত্রীর মৃত্যুর প্রহর গুণছেন অসহায় স্বামী

বাংলাদেশকে উন্নতির রাস্তা বলে দিলেন দ. আফ্রিকার ব্যাটিং কোচ

ভালোবেসে বিয়ে করা বড় ভুল হয়ে গেছে’ কেন এই কথা বলছে লালমনিরহাটের মেঘনা

সবাই এই বৃদ্ধাকে ভেবেছিল মানসিক ভারসাম্যহীন, কিন্তু পরিচয় জানার পর সবাই অবাক

যৌন চাহিদা মেটাতে নতুন যৌন পল্লী

যুক্তরাষ্ট্র কোনো সভ্য রাষ্ট্র নয়: এরদোগান

আর একদিন পর বাজারে আসছে ইলিশ




error: Content is protected !!
Copy to clipboard
[X]