বুধবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং। ১০ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। সকাল ৯:৫৫








প্রচ্ছদ » বিভিন্ন সংবাদ

শিক্ষণীয়, হরিন এক লাফে ২৩ হাত যায়, আর বাঘ ২২ হাত তবুও হরিনটি কেন বাঘের শীকার হয়!

হরিন এক লাফে ২৩ হাত যায়- হরিন এক লাফে ২৩ হাত যায়, আর বাঘ ২২ হাত,,,,,
তবুও হরিনটি বাঘের শীকারে পরিনত হয়
কেন জানেন???

কারন হরিনটি ছুটবার সময় বার বার পিছনে তাকিয়ে দেখে বাঘটি পিছনে আছে কিনা, যার ফলে তার গতি কমে যায়,
কিন্তু বাঘটি অবিরাম তার সামনের লক্ষেই ছুটতে থাকে, এইতো আরেকটু গেলেই হরিনটাকে ধরে ফেলবো,
যার ফলে তার গতি আরো বেড়ে যায়,

বিস্তারিত পড়তে Read More ক্লিক করুন...

এভাবেই একটা সময় বাঘটা তার লক্ষে পৌছে হরিনটিকে শিকার করে ফেলে,
,,,,,,,ঠিক তেমনি আপনার জিবনের লক্ষে পৌছানোর সময় অনেক বাধা আসতে পারে, কিন্তু পেছন ফেরে না তাকিয়ে সামনের লক্ষের দিকে এগিয়ে যাবেন, ইনশাআল্লাহ সাফল্য আপনার আসবেই….

২য়######
যখন আমি বুড়ো হয়ে যাবো, একেবারে থুত্থুরে বুড়ো, তখন একটু আমার পাশে থাকবি? একটু ধৈর্য ধরে রাখবি আমার ওপরে? ধর, যদি তোর দামী কাচের বাসনটা আমার হাত থেকে পড়ে যায় হঠাৎ?

কিংবা, তরকারির বাটিটা উল্টে ফেলি টেবিলের উপরে? আমি যে তখন অত ভালো দেখতে পাবো না রে! আমাকে তুই চিৎকার করে বকিস না প্লিজ! বুড়োরা যে সারাক্ষণ নিজেদেরই করুণা করতে থাকে, তুই জানিস না!

আমি একদিন আর কানে শুনতে পাবো না, একবারে বুঝে ফেলবো না তুই কী বলছিস, তাই বলে আমাকে ‘বধির’ ডাকিস না! লাগলে না হয় আরেকটাবার কষ্ট করে কথাটা বলিস, না হয় লিখেই দিলি কাগজে কলমে। আমাকে ক্ষমা করিস রে, আমি বুড়িয়ে যাচ্ছি!

আর যখন আমার হাঁটু কাঁপবে, পা দুটো শরীরের ভার আর বইতে চাইবে না, তুই একটু ধৈর্য ধরে আমাকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করবি না, বল? যেমন করে প্রথম হাঁটতে শিখেছিলি আমার পায়ের পাতার উপরে দাঁড়িয়ে, তেমনি করে?

কখনো কখনো আমি ভাঙা রেকর্ড প্লেয়ারের মত বকবক করেই যাবো, তুই একটু শুনিস কষ্ট করে। আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করিস না প্লিজ, আমার বকবকানিতে অধৈর্য হয়ে যাস না রে। তোর মনে আছে, ছোট্টবেলায় তুই একটা বেলুনের জন্য কেমন ঘ্যানঘ্যান করেই যেতিস আমার কানের কাছে, যতক্ষণ না তোকে আমি সেটা কিনে দিতাম?

আমার গায়ের গন্ধটাকেও ক্ষমা করে দিস পারলে। আমার শরীরে বুড়োটে গন্ধ জন্মাচ্ছে! গোসল করার জন্য জোর করিস না তখন। আমার শরীরটা যে বড্ড দুর্বল থাকবে, একটু পানি লাগলেই ঠাণ্ডা লেগে যাবে! আমাকে দেখে নাক শিঁটকাস না প্লিজ!

মনে আছে, ছেলেবেলায় তোর পেছনে আমি ছুটতাম আর ছুটতাম তুই গোসল করতে চাইতিস না বলে? তুইও একটু ছুটতে পারবি না আমার বুড়ো হয়ে যাওয়া শরীরটার পাশে পাশে? বিশ্বাস কর, বুড়োদের এমনই হয়, হয়তো তুই বুঝবি একদিন, হয়তো…

হাতে যদি সময় থাকে, আমরা একসাথে গল্প করবো, কেমন? হোক না মাত্র কয়েকটা মুহূর্তের জন্য। আমি তো সারাদিন একাই থাকি, আমার সময় যে একা ফুরোয় না।

আমি জানি, তুই তোর কাজ নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত থাকবি, আমার বুড়ো হয়ে যাওয়া গল্পগুলো তোর শুনতে ভালো না লাগলেও একটু আমার পাশে থাকিস? তোর মনে আছে, কত কতবার তোর ছোট্ট পুতুলের গল্প আমি শুনতাম, শুনেই যেতাম? আর তুই বলেই যেতিস, বলেই যেতিস…

একদিন আসবে, বিছানায় পড়ে থাকবো, আমার একটু যত্ন নিবি সেদিন? আমাকে ক্ষমা করে দিস যদি ভুল করে বিছানা ভিজিয়ে ফেলি, যদি চাদরটা নোংরা করে দেই, আমার শেষ সময়টায় শুধু আমাকে ছেড়ে দূরে থাকিস না প্লিজ!

যখন সময় হবে, আমার হাতটা তোর মুঠোয় পুরে নিস। আমাকে একটু সাহস দিস যেন মৃত্যুকে আমি নির্ভয়ে আলিঙ্গন করতে পারি!

আর ভাবিস না, যখন আমি আমার স্রষ্টার দেখা পাবো, তাঁর কানে কানে ফিসফিসিয়ে বলবো, যেন তোর মঙ্গল করেন, কারণ তুই আমাকে ভালোবেসেছিলি, আমার বুড়ো সময়গুলোতে আমার যত্ন নিয়েছিলি!
তোকে অনেক অনেক ভালোবাসি রে…

একজন যুবতী মেয়ে, বারবার বাথরুমে যাচ্ছে! ‘গৃহকর্ত্রী একজন সৌদিয়ান মহিলা । ক্যান্সার রোগী। উনি তার……

একজন যুবতী মেয়ে, বারবার বাথরুমে যাচ্ছে! ‘গৃহকর্ত্রী একজন সৌদিয়ান মহিলা । ক্যান্সার রোগী। উনি তার সেবাশুশ্রূষার জন্য এই মেয়েকে এনেছেন ইন্দোনেশিয়া থেকে। কিন্তু গৃহকর্মী মেয়েটা বাথরুমে গিয়ে অনেকক্ষণ সময় নেয়। বিধ্বস্ত চেহারা। চোখমুখ মলিন উষ্কখুষ্ক, কান্না ভেজা থাকে। ‘গৃহকর্ত্রী এই বিষয় বারবার লক্ষ করে।

অবশেষে ওই মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার এমন অবস্থা কেন..?

‘মেয়েটি বলল, ‘মেডাম আমার একটা দুধের শিশু দেশে রেখে এসেছি। এইজন্য আমার দুধ জমে গিয়ে সমস্যার সৃষ্টি করে, তাই জমাট দুধ আউট করে ফেলে দিতে হয়। গৃহকর্ত্রী বললেন, তুমি এমন দুধের শিশু রেখে বিদেশে কেনো আসলে? ‘

মেয়ে বলল, মেডাম অনেকদিন ধরে বিদেশে আসার চেষ্টা করছি, কিন্তু হচ্ছিল না। তারপর বাচ্চাটা জন্ম নেয়ার পর হঠাৎ করে এই ভিসা চলে গেলো। চরম অভাব অনটনের সংসার। পরিবারের কথা ভেবে বাচ্চা রেখে চলে আসতে বাধ্য হলাম। ‘ কাজের মেয়ের কথা শুনে গৃহকর্ত্রীর মর্মাহত, গভীর চিন্তায় পড়ে গেলেন।

তারপর কাজের মেয়েকে কিছু না বলে, দুইবছরের হিসেব ধরে, টিকেট করে গৃহকর্মীকে বললেন, তুমি দেশে চলে যাও “এই তোমার দুবছরের পুরো বেতন, এবং টিকেট। বাচ্চার দু’বছর পূর্ণ হলে আবার চলে এসো। মেয়েটি দেশে চলে গেলো ।

গৃহকর্ত্রী কিছুদিন পর নিয়মিত চিকিৎসা নিতে আবার হসপিটাল আসলেন। ডাক্তার যথারীতি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আশ্চর্য হল! বললেন, ‘শেখা’ আপনার ক্যান্সার তো সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়ে গেছে।

এই কথা শুনে মহিলা ও বাকরুদ্ধ, বিশ্বাস করতে পারেনি। কারণ অনেকদিন ধরে চিকিৎসা চললেও কোনো উন্নতি তো দূরে থাক! অবনতি হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে এমন কী হল, উনার ক্যান্সার সম্পূর্ণ আরোগ্যলাভ করল?

মহিলা নিশ্চিত ধরে নিয়েছেন, ‘ওই কাজের মেয়েকে, সম্পূর্ণ বেতন দিয়ে দুধের বাচ্চাটার কাছে পাঠিয়ে দেওয়াতে, আল্লাহতালা এই প্রতিদান দিয়েছেন। দান ছদকা করার কারণে বালা মুসিবত দূর হয়।
জলজ্যান্ত প্রমাণ….