বুধবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং। ১০ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। সকাল ৯:৪৯








প্রচ্ছদ » এটা কোন ক্যাটাগরি না (Super Six)

চাঁদপুরে বাদ পড়লেন আওয়ামী লীগের ৩ হেভিওয়েট

আর মাত্র কয়েকদিন বাদেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। এ নিয়ে সবার মাঝেই কাজ করছে এক অন্যরকম উত্তেজনা। তবে এবার নির্বাচনে অনেক কিছুই দেখা যাবে যা আগে দেখা যায়নি। এবার মোটামোটি সব দলই অংশগ্রহণ করছে নির্বাচনে। তবএ এবারের নির্বাচনে বাদ পড়েছেন বেশ কিছু হেভিওয়েটও

আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণায় বাদ পড়লেন তিন হেভিওয়েট প্রার্থী। চাঁদপুর-২ আসনে বর্তমান এমপি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম। তার পরিবর্তে এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল আমিন রুহুল।

বিস্তারিত পড়তে Read More ক্লিক করুন...

চাঁদপুর-৪ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়াকে বাদ দিয়ে আবারও মনোনয়ন দেয়া হয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমানকে।

চাঁদপুর-১ আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান এমপি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকেই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এ আসনে মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ও সচিব মো. গোলাম হোসন। অর্থাৎ মন্ত্রী মায়া চৌধুরী, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. গোলাম হোসেন ও বর্তমান এমপি শামছুল হক ভুঁইয়া মনোনয়নপ্রাপ্তিতে বাদ পড়লেন।

চাঁদপুর-৩ আসনে আগেই একক প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি এবং চাঁদপুর-৫ আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর অব. রফিকুল ইসলামকে এককভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়।

এর আগে ২৫ নভেম্বর চাঁদপুর-১ আসনে মনোনয়ন পান ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি ও মো. গোলাম হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৩ আসনে ডা. দীপু মনি, চাঁদপুর-৪ আসনে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া, চাঁদপুর-৫ আসনে মেজর অব. রফিকুল ইসলাম।

এর দুদিন পর গত ২৭ নভেম্বর দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা নিজ হাতে চাঁদপুর-২ আসনে মনোনয়নপত্র তুলে দেন নুরুল আমিন রুহুল ও চাঁদপুর-৪ আসনে জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক মুহম্মদ শফিকুর রহমানের হাতে। এর ফলে চাঁদপুরের ৫টি আসনের মধ্যে ৩টিতেই দুজন করে মনোনয়নপ্রাপ্ত হন।

এরপর থেকেই মনোনয়নপ্রাপ্তদের অনুসারী, নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে দেখা দেয় অনিশ্চয়তা। অবশেষে শুক্রবার সকালে চাঁদপুরের আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়।

এদিকে চাঁদপুরের ৩টি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার মনোনয়নপ্রাপ্তদের অনুসারী, নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে দেখা গেছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। মসজিদে মসজিদে হয়েছে শোকরানা মিলাদ। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে বিতরণ হয়েছে মিষ্টি।

চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন ডালিম বলেন, নুরুল আমিন রুহুলকে মনোনয়ন দেয়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আজ মতলবের সব মসজিদে শোকরানা মিলাদ হয়েছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেদ সরকার বলেন, মনোনয়ন বিষয়ে নেত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ নিয়ে অন্য কথা বলার কিছু নেই। আমাদের চাঁদপুর-৪ আসনে নেত্রী যাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন আমরা তার জন্যই কাজ করব।

দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে তার পক্ষে কাজ করবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু খায়ের পাটোয়ারী বলেন, নেত্রী শেখ হাসিনা যদি প্রশ্ন করেন তাহলে জবাব দেব।